মৃত প্রবাসী কর্মীর পরিবারকে যেসব সুবিধা দেয় সরকার

Government benefits to the family of deceased expatriate worker (2018)

We help prepare all documents relating to this purpose

When the expatriate workers died, the government extended a helping hand to bring the bodies back to the country. When the body was handed over at the airport, it was given a government grant as transportation and burial expenses. The Ministry of Expatriate Welfare and Overseas Employment also arranges financial grants and death compensation for the families of deceased expatriate workers. The relatives of the expatriate workers get these benefits through the Wage Earners Welfare Board under them.

Gazi Mohammad Julhas, director general of the Wage Earners Welfare Board, told the Bengali Tribune, “The government is committed to the protection of expatriate workers abroad and the overall welfare of their family members.” Therefore, if there is any complaint or problem of the expatriate workers and their family members, steps are taken to resolve it quickly.

From January to November 2017, the bodies of 3,154 expatriates arrived in Bangladesh. Director (Administration) of Wage Earners Welfare Board Zahirul Islam told Bangla Tribune this information. In these 11 months, the Wage Earners Welfare Board has given 1 crore 32 lakh 50 thousand rupees to the relatives for carrying and burying the bodies of 2,952 expatriate workers. Besides, the relatives of 3,344 deceased expatriate workers have received Tk 98.90 crore as financial grant from the company.

Zahirul Islam, director (administration) of the Wage Earners Welfare Board, told the Bengali Tribune: After the bodies of the expatriate workers were brought to the country through them, checks were handed over to their relatives for handing over, transporting and burial.

Bodies brought to the country

The Wage Earners Welfare Board brought the body of a Bangladeshi worker who died in exile to the country with the opinion of his family. Arrangements are also made if the family of a deceased person wishes to bury the body in the respective country. If the employer expresses inability to bear the cost of repatriation of the deceased body and the family of the deceased is unable to bear the cost of repatriation of the body, it is funded from the Wage Earners Welfare Fund.

You have to apply to the Wage Earners Welfare Board to get help to bring the body back to the country. A sample copy of the application form can be found on the website of this organization. This application can also be made to the District Employment and Manpower Office or directly to the Board.

The cost of transporting and burying the corpse

When a Bangladeshi worker dies in exile, the family of the deceased is given financial assistance through a check of Tk 35,000 for transporting and burying the body while receiving the body from the airport. The check was issued from the Expatriate Welfare Desk at Hazrat Shahjalal International Airport. For this, the relatives of the deceased expatriate workers have to bring with them the necessary documents such as National Identity Card, Family Member Certificate, Power Delivery and Deed of Power to accept payment for burial expenses. Sample copies of the required documents can be found on the website of the Wage Earners Welfare Board.

Financial aid

The family of the deceased worker who went abroad legally was given a financial grant from the Wage Earners Welfare Board. Since April 1, 2013, every family of a worker who died in exile has received a financial grant of Tk 3 lakh. To get this grant, the relatives of the deceased expatriate worker have to submit some necessary documents.

These include:

1. Certificate of family member of the deceased on office pad from Union Parishad Chairman, Mayor of the Municipality, City Corporation Councilor. This certificate must be counter-signed by the concerned Upazila Nirbahi Officer, Additional District Magistrate for City Corporation area. 2. The non-judicial stamp of Taka 300/-. 3. Photocopy of passport of the deceased, certificate of Bangladesh Embassy, ​​attested photocopy of death certificate. 4. Certificate of the concerned bank regarding the bank account number of the recipient, original copy of the bank statement. If there is a minor child, the bank account number and certificate (including bank statement) opened in the name of the minor child. 5. Each family member has 1 photo attested by the Chairman, Councilor and 1 photo attested by the Assistant Director, District Employment and Manpower Office. Sample copies of the required documents can be found on the website of the Wage Earners Welfare Board.

Death compensation

The Wage Earners Welfare Board takes steps to collect death compensation from employers, agencies, individuals and organizations abroad in case of death of expatriate workers. Apart from this, the Wage Earners Welfare Board also takes initiative to get the arrears of salary, service benefits and insurance benefits of the expatriate workers to their relatives. For this, the relatives of the deceased expatriate worker have to submit some necessary documents.

These include: 1. Certificate of family member of the deceased on office pad from Union Parishad Chairman, Mayor of the Municipality, City Corporation Councilor. This certificate must be counter-signed by the concerned Upazila Nirbahi Officer or Additional District Magistrate for the City Corporation area. 2. The non-judicial stamp of Taka 300/-. 3. Photocopy of passport of the deceased, certificate of Bangladesh Embassy, ​​attested photocopy of death certificate. 4. Certificate of the concerned bank regarding the bank account number of the recipient, original copy of the bank statement. If it is a minor child, the bank account number and certificate (including bank statement) opened in the name of the minor child. 5. 1 copy attested color photograph of each family member by the Chairman, Councilor, Assistant Director, District Employment and Manpower Office. Sample copies of the required documents can be found on the website of the Wage Earners Welfare Board. 

The Digital Help Desk was launched on December 16 last year at Prabasi Kalyan Bhaban to provide services to expatriate workers and their family members under the management of Wage Earners Welfare Board. It is open daily from 9 am to 5 pm except public holidays. The help desk numbers are 0174333333, 01794333333, 93347. Expatriate workers and their family members can call these numbers to report problems and help. These are recorded and reported to the concerned branch, ministry, other departments / agencies and the labor wing located abroad. Later the service candidate is given information in this regard.

Relatives can go to the District Employment and Manpower Office or the Wage Earners Welfare Board office with the application. Address: Prabasi Kalyan Bhaban, 61-62 Old Elephant Road, Eskaton Garden, Ramna, Dhaka. Official informaiton page http://wewb.gov.bd/

মৃত প্রবাসী কর্মীর পরিবারকে যেসব সুবিধা দেয় সরকার (2018)

প্রবাসী কর্মীরা মারা গেলে মৃতদেহ দেশে আনার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় সরকার। বিমানবন্দরে লাশ হস্তান্তরের সময় সেটি পরিবহন ও দাফনের খরচ হিসেবে দেওয়া হয় সরকারি অনুদান। এছাড়া মৃত প্রবাসী কর্মীর পরিবারের জন্য আর্থিক অনুদান আর মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থাও করে থাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তাদের অধীন সংস্থা ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে এসব সুবিধা পান প্রবাসী কর্মীর স্বজনরা।

এ প্রসঙ্গে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ জুলহাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিদেশে প্রবাসী কর্মীদের সুরক্ষা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সার্বিক কল্যাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এজন্য প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ বা সমস্যা থাকলে তা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়।’

২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৩ হাজার ১৫৪ জন প্রবাসীর মৃতদেহ এসেছে বাংলাদেশে। বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক (প্রশাসন) জহিরুল ইসলাম। এই ১১ মাসে ২ হাজার ৯৫২ জন প্রবাসী শ্রমিকের মৃতদেহ বহন ও দাফনের জন্য স্বজনদের ১ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। এছাড়া সংস্থাটির কাছ থেকে আর্থিক অনুদান হিসেবে ৯৬ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৯২ টাকা পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৪৪ জন মৃত প্রবাসী শ্রমিকের স্বজনরা।

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক (প্রশাসন) জহিরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীদের বহির্গমন ছাড়পত্র যাচাই, কার্ড পূরণ, কর্মীদেরকে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতার বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের জন্য রয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক। তাদের মাধ্যমে প্রবাসী মৃত কর্মীদের লাশ দেশে আসার পর আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর, পরিবহন ও দাফনের জন্য চেক প্রদান করা হয়।’

মৃতদেহ দেশে আনা

প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশি কর্মীর লাশ পরিবারের মতামত নিয়ে দেশে আনে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। কোনও মৃতের পরিবার সংশ্লিষ্ট দেশে লাশ দাফনের ইচ্ছা প্রকাশ করলে সেই ব্যবস্থাও করা হয়। মৃতের লাশ দেশে প্রেরণে নিয়োগকর্তা খরচ বহন করতে অপারগতা প্রকাশ করলে ও মৃতের পরিবার লাশ দেশে আনার জন্য খরচ বহনে সক্ষম না হলে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হয়।

মৃতদেহ দেশে আনার জন্য সহযোগিতা পেতে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে আবেদন করতে হয়। আবেদন ফরমের নমুনা কপি পাওয়া যাবে এই সংস্থার ওয়েবসাইটে। জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস অথবা সরাসরি বোর্ডেও এই আবেদন করা যায়।

মৃতদেহ পরিবহন ও দাফন খরচ

প্রবাসে বাংলাদেশি কর্মী মৃত্যুবরণ করলে বিমানবন্দর থেকে লাশ গ্রহণের সময় মৃতের পরিবারকে লাশ পরিবহন ও দাফন হিসেবে ৩৫ হাজার টাকার চেকের মাধ্যমে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক থেকে এই চেক প্রদান করা হয়। এজন্য মৃত প্রবাসী শ্রমিকের স্বজনকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র, পরিবারের সদস্য সনদ, লাশ পরিবহন ও দাফন খরচের অর্থ গ্রহণের জন্য ক্ষমতা অর্পণপত্র সঙ্গে আনতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের নমুনা কপি পাওয়া যাবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ওয়েবসাইটে।

আর্থিক অনুদান

বিদেশে বৈধভাবে যাওয়া মৃত কর্মীর পরিবারকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। ২০১৩ সালের ১ এপ্রিল থেকে প্রবাসে মারা যাওয়া কর্মীর প্রত্যেক পরিবার আর্থিক অনুদান হিসেবে পাচ্ছে ৩ লাখ টাকা। এই অনুদান পেতে মৃত প্রবাসী কর্মীর স্বজনকে দাখিল করতে হয় বেশকিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।

এর মধ্যে রয়েছে— ১. ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, সিটি করপোরেশন কাউন্সিলরের কাছ থেকে দাফতরিক প্যাডে মৃতের পরিবারের সদস্য সনদ। এই সনদ সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত হতে হবে। ২. চারশ’ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে দায়মুক্তি সনদ, অঙ্গীকারনামা ও ক্ষমতা অর্পণপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত হতে হবে।

৩.  মৃতের পাসপোর্টের ফটোকপি, বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রত্যয়নপত্র, মৃত্যু সনদের (ডেথ সার্টিফিকেট) সত্যায়িত ফটোকপি। ৪. অর্থ গ্রহণকারীর ব্যাংক হিসাব নম্বরের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্টের মূল কপি। নাবালক সন্তান থাকলে নাবালক সন্তানের নামে খোলা ব্যাংক হিসাব নম্বর ও প্রত্যয়নপত্র (ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ)। ৫. পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর কর্তৃক সত্যায়িত ১ কপি ছবি এবং সহকারী পরিচালক, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস কর্তৃক ১ কপি সত্যায়িত রঙিন ছবি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের নমুনা কপি পাওয়া যাবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ওয়েবসাইটে।

মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ

প্রবাসী কর্মী মারা গেলে বিদেশে নিয়োগকর্তা, সংস্থা, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান থেকে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা নেয় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। এছাড়া প্রবাসী কর্মীর বকেয়া বেতন, সার্ভিস বেনিফিট ও ইন্স্যুরেন্স সুবিধা পাওনা থাকলে তা আদায় করে স্বজনকে তা পাওয়ার উদ্যোগও নিয়ে থাকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। এজন্য মৃত প্রবাসীর কর্মীর স্বজনকে বেশকিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

এর মধ্যে রয়েছে— ১. ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, সিটি করপোরেশন কাউন্সিলরের কাছ থেকে দাফতরিক প্যাডে মৃতের পরিবারের সদস্য সনদ। এই সনদ সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার অথবা সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত হতে হবে। ২. চারশ’ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে দায়মুক্তি সনদ, অঙ্গীকারনামা ও ক্ষমতা অর্পণপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত হতে হবে। ৩.  মৃত ব্যক্তির পাসপোর্টের ফটোকপি, বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রত্যয়নপত্র, মৃত্যু সনদের (ডেথ সার্টিফিকেট) সত্যায়িত ফটোকপি।

৪. অর্থ গ্রহণকারীর ব্যাংক হিসাব নম্বরের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্টের মূল কপি। নাবালক সন্তান হলে নাবালক সন্তানের নামে খোলা ব্যাংক হিসাব নম্বর ও প্রত্যয়নপত্র (ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ)। ৫. চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর, সহকারী পরিচালক, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস কর্তৃক পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের ১ কপি সত্যায়িত রঙিন ছবি। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের নমুনা কপি পাওয়া যাবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ওয়েবসাইটে।

প্রবাসী কল্যাণ ভবনে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সেবা প্রদানের জন্য গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর চালু করা হয় ডিজিটাল হেল্প ডেস্ক। এটি সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চালু থাকে। হেল্প ডেস্কের নম্বরগুলো হলো ০১৭৮৪৩৩৩৩৩৩, ০১৭৯৪৩৩৩৩৩৩, ৯৩৩৪৮৮৮। এসব নম্বরে ফোন করে প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সমস্যা ও সাহায্যের কথা জানাতে পারেন। এগুলো লিপিবদ্ধ করে সংশ্লিষ্ট শাখা, মন্ত্রণালয়, অন্যান্য দফতর/সংস্থা ও বিদেশে অবস্থিত শ্রম উইংয়ে জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে সেবা প্রার্থীকে এ বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয়।

আবেদন নিয়ে স্বজনরা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস অথবা ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের কার্যালয়ে যেতে পারেন। ঠিকানা: প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ৭১-৭২ পুরাতন এলিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন গার্ডেন, রমনা, ঢাকা।

We help prepare all documents relating to this purpose. Please contact us.